× প্রচ্ছদ বাংলাদেশ বিশ্ব রাজনীতি খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফ স্টাইল ভিডিও সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

ভুয়া চিকিৎসকের চোখের চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান চলছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই

মাসুদুর রহমান, জামালপুর প্রতিনিধি

০৯ মার্চ ২০২৬, ১৯:২০ পিএম

জামালপুরে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান চলছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই। এদিকে জামালপুর সদরের দিগপাইতে ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছে না। নেই কোন রোগ নির্ণয়ের মানসম্মত যন্ত্রপাতি ও ল্যাব টেকনোলজিস্ট। ধার করা ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে চলছে জটিল অপারেশনসহ নানা চিকিৎসা।মাঠে গিয়ে খুব দ্রুত বোঝা যায় কোনো চক্ষু হাসপাতাল বা আই ক্লিনিক বৈধ কি না। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইসেন্স টাঙানো আছে কি না

হাসপাতালের রিসেপশন বা দেয়ালে Directorate General of Health Services (DGHS) এর লাইসেন্স ফ্রেম করে টাঙানো থাকার কথা। সেখানে সেটাও দেখাও যায়নি।  ডাক্তারের BMDC রেজিস্ট্রেশন চোখের অপারেশন করা ডাক্তারদের Bangladesh Medical and Dental Council (BMDC) রেজিস্ট্রেশন নম্বর থাকা বাধ্যতামূলক।  চক্ষু হাসপাতালে প্রশিক্ষিত নার্স থাকার কথা থাকলেও তারা কোন নার্স রাখেনি। তাদের নেই কোন ইউনিয়ন পরিষদের Trade License ট্রেড লাইসেন্স। যেটা সাধারণত রিসেপশনে থাকে। ফায়ার সেফটির সেফটি সনদ বা অন্তত ফায়ার এক্সটিংগুইশার থাকার কথা থাকলেও দেখা যায়নি।  রোগীর রেজিস্টার ও কাগজপত্র বৈধ হাসপাতালে সাধারণত থাকে কিন্তু তাদের কাছে সেটাও রাখে না। পাশাপাশি স্বনামধন্য চিকিৎসকের নাম ভাঙিয়ে ও অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা দিয়ে রোগীর গাঁটের টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।  এতে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগীরা।

অভিযোগ পেয়ে সরেজমিন দেখা গেছে, সদর উপজেলার দিগপাইত ইউনিয়নের দিগপাইত জামালপুর মহা সড়কের পাশে ফেন্সি মার্কেটের চোখ ধাঁধানো ব্যানারসহ ডিজিটাল সাইনবোর্ড। তাতে বলা হয়েছে, চক্ষু ও মাথা ব্যথা রোগীদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান দিগপাইত ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল। নিবা-রাত্রি ২৪ ঘন্টা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা চক্ষু রোগীদের যাবতীয় চিকিৎসা সেবা ও অপারেশন করা হয়। এসব দেখে গ্রামের সহজ-সরল মানুষ ফাঁদে আটকে যাচ্ছেন।



ভুক্তভোগীদের দাবি, চলছে চিকিৎসার নামে গলাকাটা ব্যবসা। সাইনবোর্ডসর্বস্ব এসব হাসপাতালে গিয়ে অপচিকিৎসার জালে আটকা পড়ছেন রোগী। যার ফলে অকালে ঝরে যাচ্ছে অনেক প্রাণ।


বক্তব্য নেওয়ার জন্য গেলে দেখা যায় একটি ডা: পরিচয়ে চিকিৎসা দিচ্ছেন ডিপ্লোমা মেডিকেল এর মো: খাইরুল ইসলাম। তিনি ২০০৭-৮ শিক্ষা বর্ষে টাঙ্গাইল মেডিক্যাল এসিস্টেন্ট ট্রেনিং স্কুল এর শিক্ষার্থী ছিলেন। তার নেই বিএমডিসি লাইসেন্স। এনিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন শুরু করলে চক্ষু হাসপাতালের মালিক পক্ষ হাসপাতল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভন হয়নি।  

এদিকে জামালপুর সিভিল সার্জন ডা: আজিজুল হক বলেন, আমরা তথ্য পেয়ে খোজ খবর নিয়েছি। জানতে পেরেছি সেখানে কার্যক্রম চলে । আগামী কালই আমরা টিম পাঠিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।


Sangbad Sarabela

সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী আবু জাফর

যোগাযোগ: । [email protected] । বিজ্ঞাপন ও বার্তা সম্পাদক: 01894944220

ঠিকানা: বার্তা ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ : বাড়ি নম্বর-২৩৪, খাইরুন্নেসা ম্যানশন, কাঁটাবন, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 Sangbad Sarabela All Rights Reserved.