জামালপুরের মাদারগঞ্জে অবৈধভাবে পেট্রোল ও অকটেন এবং ডিজেল তেল মজুদ করে বেশি দামে বিক্রির তথ্য সংগ্রহ করায় আসিফ বিল্লাহ নামের এক সাংবাদিককে হুমকি দিয়েছেন মাদারগঞ্জ শহর ছাত্রদলের সদস্য সচিব আতিক রহমান @ আতিক বেপারী । এ নিয়ে উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে । এ ঘটনায় শনিবার(২৮ মার্চ) সন্ধ্যা ৬ টায় আসিফ বিল্লাহ বাদী হয়ে আতিক রহমানের বিরুদ্ধে জামালপুর সদর থানায় সাধারণ ডায়েরী (নং: ১৬২০ ) দায়ের করেছেন।
জানা যায়, মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি বেলাল হোসেনের ছেলে ও জাতীয় দৈনিক সকালের দুনিয়া, অনলাইন প্রতিদিন খবর,নগর বার্তা জামালপুর জেলা প্রতিনিধি আসিফ বিল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে জামালপুরে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে প্রতিনিয়ত সংবাদ পরিবেশন করছেন। শনিবার দুপুরে মাদারগঞ্জের বালিজুড়ি বাজারে তেল ব্যাবসায়ী আব্দুল খালেক নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেন। হুবুহু তুলে ধরা হলো, মাদারগঞ্জে রনি সুপার মার্কেটের পাশে খালেকের তেলের দোকানে অভিজান দিলে প্রত্যেকটি ড্রামে পেট্রোল ডিজেল পাওয়া যাবে। আগে খালেক তেল সিন্ডিকেট করে বিক্রি করতো আর এখন করে তার ছেলে। এ পোস্ট করার পরেই দুপুর ১ টা ৩৪ মিনিটে মাদারগঞ্জের নামাপাড়া এলাকার মৃত জলিল বেপারীর ছেলে ও শহর ছাত্রদলের সদস্য সচিব আতিক রহমান @আতিক বেপারী তার ব্যক্তিগত নাম্বার ০১৮৮৪৫০৩০৮৪ নাম্বার থেকে আসিফ বিল্লাহ'র ০১৬২৩৬৯৭৭৭৬ কল দিয়ে বলে,তোমার সাংবাদিকতার দিন শেষ।বেশি বাড়াবাড়ি কইরো না।খালেক আমার চাচা।বেশি বাড়াবাড়ি করলে ফলাফল ভালো হবে না। পাশাপাশি প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করেন।
এ বিষয়ে সংবাদ কর্মী আসিফ বিল্লাহ জানান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রী সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় তেল সিন্ডিকেটের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহণ করতে বলা হলেও তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে বাধাগ্রস্ত হচ্ছি।বিভিন্ন স্থানে তেল মজুদ করে বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। এ নিয়ে আমি একটা পোস্ট করেছিলাম ফেসবুকে। আতিক আমাকে কল দিয়ে ডিলিট করতে বলে এবং প্রাণ নাশের হুমকি দিয়েছে। আমি থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছি। বিচার চাই।
এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব আতিক রহমান এর নাম্বারটি বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে জামালপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আতিকুল ইসলাম সুমিল জানান,ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জামালপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মিজানুর রহমান জানান, একটি জিডি পেয়েছি।