ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় আটক এর ৫ ঘন্টা পর ছাত্রলীগের এক কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ডিবি পুলিশের নির্যাতনের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, অসুস্থ হয়ে পড়ার পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।
নিহত মো. ইশতিয়াক আহম্মেদ প্রান্ত (২৮) মধুখালী পৌরসভার গোন্দারদিয়া এলাকার মৃত এস্কেন্দার হায়দারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় মধুখালী পৌরসভার গোন্দারদিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রান্তকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরে তাকে ফরিদপুরে এনে জেলা গোয়েন্দা শাখার হেফাজতে রাখা হয়। সেখানে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে রোববার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচা ও মধুখালী পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মির্জা আবু জাফর বলেন, গত রাতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল আমার ভাতিজা প্রান্তকে আটক করে। আজ সকালে জানতে পারি, সে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছে। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সেখানে ছুটে গেছেন। আমি অসুস্থ থাকায় বাড়িতে রয়েছি। এর বেশি কিছু জানি না।
ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, মধুখালী এলাকা থেকে গাঁজাসহ এক আসামিকে আটক করা হয়েছিল। পরে সে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃ/ত্যু হয়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মস্তিষ্কে র ক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে কোনো ধরনের শারীরিক আঘাত করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।