যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে আগ্রাসী অভিবাসনবিরোধী নীতি ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে অবস্থানের প্রতিবাদে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দেশজুড়ে তৃতীয়বারের মতো আয়োজিত ‘নো কিংস’ কর্মসূচিতে ৩ হাজার ২০০টিরও বেশি স্থানে প্রতিবাদের পরিকল্পনা করা হয়, যেখানে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি মানুষের অংশগ্রহণ হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ সমাবেশ দেখা গেছে নিউইয়র্ক, টেক্সাসের ডালাস, পেনসিলভানিয়ার ফিলাডেলফিয়া ও ওয়াশিংটনে। তবে ছোট শহরগুলোতেও অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। মিনেসোটার সেন্ট পল এলাকায় অনুষ্ঠিত এক বিক্ষোভে অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অংশগ্রহণকারীরা।
মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালৎস বলেন, এই আন্দোলনই যুক্তরাষ্ট্রের মানবিকতা, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের শক্তিকে তুলে ধরছে। একই মঞ্চে বক্তব্য দেন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সও, যিনি দেশকে স্বৈরাচার ও অলিগার্কদের হাত থেকে রক্ষার আহ্বান জানান।
নিউইয়র্কে ম্যানহাটানে লাখো মানুষের সমাবেশে অংশ নেন হলিউড অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো। তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিকে দেশের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন।
ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল মলসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভকারীরা গণতন্ত্রের পক্ষে স্লোগান দেন। অন্যদিকে, ডালাস ও লস অ্যাঞ্জেলেসে কিছু স্থানে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে বিরোধী পক্ষের সংঘর্ষ ও পুলিশের সঙ্গে উত্তেজনার ঘটনা ঘটে। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করে এবং একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানায়, একটি ফেডারেল ভবন ঘিরে সহিংসতার ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে।