আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘রমজান মাসের প্রথম রাতেই শয়তান ও দুষ্টু জিনদের শৃঙ্খলাবদ্ধ করে ফেলা হয়। জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়, এর একটি দরজাও তখন খোলা হয় না; জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়, এর একটি দরজাও বন্ধ করা হয় না। আর একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা দিতে থাকে, ‘হে কল্যাণকামী! অগ্রসর হও! হে পাপাসক্ত! বিরত হও। আর মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে আছে জাহান্নাম থেকে বহু লোককে মুক্তি দান। প্রত্যেক রাতেই এরূপ হতে থাকে।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৬৮২)
শিক্ষা
হাদিসবিশারদরা হাদিসের কয়েক শিক্ষা তুলে ধরেন। তা হলো,
১. রমজান মাস মুমিনের প্রতি আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ।
২. এই মাসে আল্লাহ মুমিনের জন্য অফূরন্ত কল্যাণ রেখেছেন।
৩. কল্যাণের পথে অগ্রসর হওয়া এবং পাপের পথ পরিহার করাই রমজানের মূল আহ্বান।
৪. মুমিনের উচিত, পাপ পরিহার ও নিষ্ঠার সঙ্গে তাওবা করে মুক্তিপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার চেষ্টা করা।
৫. কল্যাণের পথে চেষ্টাকারীই রমজানের বরকত ও কল্যাণ লাভ করবে। (মাউসুয়াতুল হাদিসিয়্যা)